ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

নেইমার না ভিনিসিয়ুসই ব্রাজিলের প্রধান খেলোয়াড় কে, জানালেন নেইমার

মো : মারুফ হোসেন
মো : মারুফ হোসেন

সিনিয়র রিপোর্টার

২০২৬ জুন ২৫ ১২:৩৮:১৩

নেইমার না ভিনিসিয়ুসই ব্রাজিলের প্রধান খেলোয়াড় কে, জানালেন নেইমার

দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন নেইমার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের স্বাদ নেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। ম্যাচ শেষে নিজের ফেরার আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি সতীর্থ ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে বর্তমান ব্রাজিল দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মায়ামিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। এই জয়ে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজেদের শিরোপা জয়ের স্বপ্নও আরও শক্তিশালী করেছে সেলেসাওরা। আর সেই সাফল্যের অন্যতম নায়ক ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, যিনি টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন।

ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলের জার্সি পরে মাঠে নামতে পেরে তিনি ভীষণ আনন্দিত। দীর্ঘ সময় চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকতে হলেও নিজেকে প্রস্তুত রাখতে নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম করেছেন। মাঠে ফেরার মুহূর্তে আবেগ কাজ করছিল বলেও জানান তিনি।

তবে নিজের প্রত্যাবর্তনের চেয়েও দলের পারফরম্যান্স তাকে বেশি আনন্দ দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নেইমার। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ভিনিই ব্রাজিল দলের প্রধান ভরসা। তার অসাধারণ ফর্ম দলের জন্য বড় শক্তি হয়ে উঠেছে। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছেন এই উইঙ্গার এবং দলের সাফল্যে রাখছেন সরাসরি অবদান।

নেইমারের মতে, ভিনিসিয়ুস শুধু গোল করেই নয়, পুরো দলের আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার আত্মবিশ্বাস, গতি এবং সৃজনশীলতা ব্রাজিলকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। নকআউট পর্বে এগিয়ে যেতে হলে এমন পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা জরুরি বলেও মনে করেন তিনি।

জাতীয় দলে ফেরার পর নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়েও আশাবাদী নেইমার। হাস্যরস করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে তিনি ‘২০০ মিনিটও খেলতে পারবেন’। যদিও কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে ধীরে ধীরে ম্যাচের ছন্দে ফেরানোর পরিকল্পনা করছেন।

এখন ব্রাজিলের সামনে নকআউট পর্বের কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে নেইমারের প্রত্যাবর্তন এবং ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত ফর্ম সেলেসাও সমর্থকদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। লক্ষ্য একটাই—দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলা।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত