ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ৬ বছরের জন্য নিষিদ্ধ

২০২৩ নভেম্বর ২৩ ১৩:৪০:২০

 ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ৬ বছরের জন্য নিষিদ্ধ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি। ২০১২ এবং ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নায়কোচিত ইনিংস খেলেছিলেন। কিন্তু সেই নায়ক মারলন স্যামুয়েলস এবার ভিলেন। টি-টেন লিগ আইসিসির চারটি দুর্নীতিবিরোধী ধারা লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুইবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা দোষী সাব্যস্ত হয়ে ছয় বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন। আইসিসি এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

২০২১ সালে আইসিসি সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করে। ২০১৯ সালে আবুধাবি টি-টেন লিগের ঘটনায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ক্রিকেটারকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। স্যামুয়েলস সেবা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগের কর্ণাটক টাস্কার্স দলে ছিলেন। যদিও কোনো ম্যাচ খেলেননি তিনি।

এটা বোঝা যায় যে স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগই স্বাধীন দুর্নীতি দমন ট্রাইব্যুনালে শুনানির পর সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। আইসিসি আরও বলেছে যে স্যামুয়েলস ট্রাইব্যুনালে তার অধিকার প্রয়োগ করেছেন। উভয় পক্ষের যুক্তির ভিত্তিতে স্যামুয়েলসকে সাজা দেওয়া হয়।

আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.২, ২.৪.৩, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ নম্বর ধারা ভেঙেছেন স্যামুয়েলস। এর ফলে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মত দুর্নীতিবিরোধী শাস্তির মুখে পড়লেন দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী এই উইন্ডিজ তারকা।

ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের অধিকাংশের সিদ্ধান্তে ২.৪.২ ধারা ভঙ্গের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে স্যামুয়েলসকে। এ ধারায় বলা আছে, কোনো রকমের উপহার, অর্থ, আতিথেয়তা বা অন্য সুবিধা নেওয়ার তথ্য স্বীকৃত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে না জানানোর মাধ্যমে ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।

বাকি তিনটি ক্ষেত্রে, তবে, স্যামুয়েলসকে ট্রাইব্যুনালের সকল সদস্য দোষী সাব্যস্ত করেছেন। ৭৫০ বা এর বেশি ইউএস ডলার পাওয়ার তথ্য গোপন করা, তদন্তে স্বীকৃত কর্মকর্তাকে সহযোগিতায় ব্যর্থতা ও তথ্য গোপন করে স্বীকৃত কর্মকর্তার তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বিত করার অভিযোগে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হয়।

স্যামুয়েলসকে দুর্নীতির জন্য শাস্তি দেওয়া নতুন নয়। ২০০৮ সালে এই ধরনের অপরাধের জন্য তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ২০০৭ সালে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ওডিআই ম্যাচের তথ্য পাচার করার সময় তিনি ভারতীয় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।

যদিও পরবর্তীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুটি বিশ্বকাপ জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন এই অলরাউন্ডার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ক্রিকেটার ২০২০ সালে পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেন।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ