ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বকাপ হারের পর যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

২০২৩ নভেম্বর ২০ ১০:৫৩:৪৪

বিশ্বকাপ হারের পর যা বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম

ব্যাপক প্রস্তুতি ছিল। হাজারো আয়োজন ছিল। নিজের মাটিতে বিশ্বকাপ জিতবে ভারত তবে হতাশ গোটা ভারত। কিন্তু তাই কি? ট্র্যাভিস হেড এককভাবে ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ টেনে নিয়েছিলেন। ১৩৭ রানের ম্যারাথন ইনিংসে ভারতের স্বপ্ন আবারও ভেঙে গেল। প্যাট কামিন্স আগেই বলেছিলেন যে তিনি পুরো স্টেডিয়ামটি বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এদিনে সারা দেশ নীরব।

ভারতের হারের পর গ্যালারিতে যেমন নীরবতা নেমে আসে, তেমনি ভারতের মিডিয়াও নীরব হয়ে যায়। ভারতীয় মিডিয়ায় অনেকেই ঢালু বোলিংকে দায়ী করেছেন। কেউ কেউ বাজে ফিল্ডিংকে দায়ী করছেন। লোকেশ রাহুল বা বিরাট কোহলির ব্যাট হাতে ধীরগতির ইনিংস নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচিত হন অধিনায়ক রোহিত শর্মাও।

আনন্দবাজার ম্যাচ হারের জন্য ৫ ক্রিকেটারকে দায়ী করেছে পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়া। অধিনায়ক রোহিত শর্মা কেন অশ্বিনকে খেললেন না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। তিনি যেভাবে আউট হয়েছেন তার সমালোচনাও করেছে পত্রিকাটি। লোকেশ রাহুল এবং শ্রেয়শ আইয়ারের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। রাহুল একটি ধীরগতির ইনিংস খেলেন এবং আইয়ার ফাইনালে সংক্ষিপ্তভাবে আউট হন।

এনডিটিভিও তাদের প্রতিবেদনে অধিনায়ক রোহিতকে কিছু দোষ দিয়েছে। ওয়ানডেতে টানা ব্যর্থতার পরেও কেন সূর্যকুমার যাদবকে সমর্থন করা হচ্ছে, তা তাদের আলোচনায় উঠে এসেছে। নতুন বলে মোহাম্মদ সিরাজ ও মোহাম্মদ শামিকে যোগ করার সমালোচনাও করেছেন তারা।

আবার অনেক গণমাধ্যম এসব সমালোচনার বাইরে শুধু নিজস্ব প্রতিবেদন দিয়ে তাদের কাজ শেষ করেছে। গোটা দেশের নীরবতায় ভরে যাচ্ছে ভারতের অন্য কোনো মিডিয়া। কিছু প্রভাবশালী সংবাদপত্রে কোনো মিলের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ ছিল না।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবশ্য তাদের প্রতিবেদনে আউজি ক্রিকেটারদের সাফল্যের কথা প্রকাশ করেছে। ট্র্যাভিস হেডের দুর্দান্ত ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডার এবং বোলারদের সাফল্য তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রাধান্য পেয়েছে। পুরো লেখা জুড়ে ভারতের গল্প আবছা হয়ে গেল। শুধুমাত্র বিরাট কোহলি এবং রাহুলের স্লো মিডল ওভার নিয়ে ভারতের অন্যতম প্রধান সংবাদপত্র আলোচনা করেছিল।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ