ঢাকা, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

৪ উইকেট নেওয়ার পরে ম্যাচ শেষে মুখ খুললেন তাসকিন

২০২৩ মার্চ ২৭ ২১:৫১:৫৯

৪ উইকেট নেওয়ার পরে ম্যাচ শেষে মুখ খুললেন তাসকিন

পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দল এখন বাংলাদেশে। ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে এই সফরের ওয়ানডে সিরিজ। এই ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশে দারুন ভাবে জয় লাভ করে সফরকারীদের বিপক্ষে। এখন টাইগারদের মিশন টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

আজ ২৭ মার্চ সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেমেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়েছিল। এই ম্যাচে ২২ রানের বিশাল জয় পান বাংলাদেশ।

ভুল থেকে শেখার পালা চলছে। উন্নতির পথ ধরে ছোট ছোট পদক্ষেপে হাঁটা শুরু হয়েছে। নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এই পথে ছুটেই একসময় বিশ্বের সব দলকে পেছনে ফেলার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। দলের সেই লক্ষ্যের কথা শোনালেন পেস আক্রমণের নেতা তাসকিন আহমেদ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কোনো সংস্করণেই বৈশ্বিক কোনো আসরে বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত ফাইনাল খেলতে পারেনি। ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমি-ফাইনাল খেলাই সেরা সাফল্য। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার-ফাইনালের পর আর এগোনো হয়নি। টি-টোয়েন্টিতে অবস্থা আরও নাজুক। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দুই আসরেই বাংলাদেশের জায়গা তলানিতে। তিন সংস্করণের আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়েও কখনও শীর্ষস্থানের ধারেকাছে যাওয়ার স্বাদ মেলেনি।

সেই সীমাবদ্ধতার শেকল ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে চায় দল। অপ্রাপ্তি আর শূন্যতা ঘুচিয়ে দিতে চায় তারা সর্বোচ্চ প্রাপ্তিতে নিজেদের রাঙিয়ে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ জয়ের পর দলের সেই স্বপ্নের কথা শোনালেন তাসকিন।

“ওটা (পরিপক্কতা) মিসিং ছিল বলেই ওখান থেকে শিখে ভালো কিছু দেখাতে পারছি। সামনে আরও ভালো কিছু দেখাব ইনশাল্লাহ। ক্রমে আমরা প্রক্রিয়া অনুযায়ী উন্নতি করছি, এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ভুলগুলো বারবার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে কি না, এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ভুলগুলো কিন্তু কমে আসছে যে কোনো ফরম্যাটে। তার মানে আমরা ভুল থেকে শিখছি, প্রক্রিয়াটা দারুণ যাচ্ছে এবং আমরাও শিখতে আগ্রহী।”

“আমাদের স্বপ্ন আমরা বিশ্বের শীর্ষ দল হব, সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী আমরা ক্রিকেট খেলছি এবং এগোচ্ছি। আন্তে আস্তে মাঠেও দৃশ্যমান হচ্ছে। যদি এইভাবে ধারাবাহিকতা থাকে, সামনে অনেক বড় বড় ইভেন্ট আছে, ওসবেও প্রতিফলন পড়বে ইনশাল্লাহ।”

দলকে সবার ওপরে তোলার প্রক্রিয়ায় বড় অংশ জুড়ে আছে বিশ্বমানের একটি ফাস্ট বোলিং ইউনিট গড়ে তোলা। দুই-আড়াই বছরের পারফরম্যান্সে তাসকিনকে এখন বিশ্বমানের ফাস্ট বোলার বলাই যায়। বাংলাদেশের সামগ্রিক পেস সংস্কৃতির বদলের ছোঁয়াও মিলেছে এই সময়ে, পেস আক্রমণে শক্তি ও গভীরতা বাড়ার ছাপ তো আছেই।

তাসকিন বললেন, পেস আক্রমণেও তারা বিশ্বসেরাদের কাতারে নিজেদের তুলে নেওয়ার লক্ষ্য তাদের।

“সবাই সবার দিক থেকে চেষ্টা করছে। ইউনিট হিসেবে যদি সবাই বিশ্বমানের বোলার থাকি, এই ইউনিটকে সামলাতে কিন্তু অন্যদের সমস্যাই হবে। বড় বড় দলে কিন্তু একটা নয়, চার-পাঁচটা বিশ্বমানের ফাস্ট বোলার থাকে। আমরাও চাচ্ছি, আমাদেরও এরকম হোক। যেহেতু আমরা সবাই পরিবারের অংশ, ফাস্ট বোলাররা, ভাইয়ের মতো। সবাই সবার ভালো চাই এবং সবশেষ দুই-আড়াই বছরে উন্নতিও চোখে পড়ছে।”

“এখনও আমাদের পরের ধাপে যাওয়া বাকি। আমি মনে করি আমরা সঠিক পথে আছি। মানসিকতা ভালো। যদি এই পক্রিয়ায় থাকি, আমাদের এই স্বপ্নও পূরণ হবে যে আমরা সবাই বিশ্বমানের হব।”

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ