ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে ভক্তদের জন্য ভারতীয় অধিনায়কের আবেগঘন বার্তা

২০২৩ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৯:৫০:৫৬

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে ভক্তদের জন্য ভারতীয় অধিনায়কের আবেগঘন বার্তা

যার জন্য অস্ট্রেলিয়ার কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ভারতকে।সেমি ফাইনালের এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক

পর্যায়ে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২৮ রান। অজি তারক জেমাইমাহ রদ্রিগেজকে নিয়ে সেখান থেকেই ভারতের ইনিংস টেনেছেন হারমানপ্রীত। এই দুজনে ৪১ বলে যোগ করেন ৬৯ রান।

ভারতীয় ক্রিকেটারের হারমানপ্রীত ৩৪ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নিলে ভারতের স্কোর বেশিদূর এগোতে পারেননি। এই ম্যাচে ২৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংস এসেছে জেমাইমাহর ব্যাট থেকে। দিপ্তি শর্মা শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও ভারতকে কাঙ্খিত জয়ে এনে দিতে পারেননি।

হারের পর হারমানপ্রীতে কান্না ভেজা চোখ আবেগী করেছিল ক্রিকেট দর্শকদের। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও কান্না ভেজা চোখ আড়াল করতে সানগ্লাস পড়ে এসেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, দেশের মানুষকে কান্নাভেজা চোখ দেখাতে চাননি তিনি।

তিনি বলেন, 'তখন আমার চোখে জল ছিল। চাইনি আমার কান্না দেশবাসী দেখতে পাক। চোখের জল ঢেকে রাখার চেষ্টা করেছিলাম। একটা ঘোরের মধ্যে রয়েছি। বুঝতে পারছি না কী হচ্ছে চারপাশে। একটু ধাতস্থ হওয়ার পর হয়তো বুঝতে পারব। জানি না কত দিনে এই হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারব। তবু মনে হয় প্রতিযোগিতায় আমরা যথেষ্ট ভাল ক্রিকেট খেলেছি।'

হারমানপ্রীত মনে করেন তার রান আউটই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। ইনিংসের শুরু থেকেই তিনি যেভাবে খেলছিলেন রান আউট হওয়া ছাড়া তার উইকেট নেয়ারও কোনো সুযোগ ছিল না। অবশ্য আউট হওয়ার পরও দিপ্তি শর্মা, রিচা ঘোষদের ওপর বিশ্বাস ছিল তার। কিন্তু কোনোভাবে

'যদি আমার ব্যাট আটকে না যেত তাহলে আমি সহজের আমার রান সম্পুর্ণ করতে পারতাম। আমি যদি শেষ পর্যন্ত থাকতে পারতাম তাহলে এক ওভার আগেই ম্যাচ শেষ করে আসতে পারতাম। কারণ আমাদের তখন মোমেন্টাম ছিল। কিন্তু এরপর দিপ্তি ছিল, রিচা ছিল। আমার বিশ্বাস ছিল তারা পারবে কারণ রিচা সবগুলো ম্যাচেই ভালো ব্যাট করেছে।'

হারমানপ্রীত যোগ করেন, 'আমার রান আউটটাই টার্নিং পয়েন্ট ছিল। না হলে আমরা ম্যাচেই ছিলাম। সবকিছুই আমাদের পক্ষে ছিল। এটা হতাশাজনক কারণ যেভাবে আমি ব্যাটিং করেছি ভিন্ন কোনোভাবে আমাকে আউট করার সুযোগ ছিল না। আমি যেভাবে বল মোকাবেলা করছিলাম। আমি জানতাম কিভাবে আমাকে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে।'

একসময় অস্ট্রেলিয়াও ম্যাচের হাল ছেড়ে দিয়েছিল মনে করেন হারমানপ্রীত। তিনি বলেন, 'এই হারটা খুবই হতাশার। বিশেষ করে একটা সময় ভাল অবস্থায় থাকার পরেও এ ভাবে হেরে যাওয়া। অস্ট্রেলীয়দের দেখে মনে হচ্ছিল, কিছুটা হাল ছেড়ে দিয়েছে। আমি আউট হওয়ার পর নতুন উদ্যমে ঝাঁপায় ওরা। ম্যাচের মেজাজ বদলে দেয়। আমাদের আরও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করা উচিত ছিল। শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক থাকা দরকার ছিল। কিন্তু আমরা সেটা করতে পারিনি।’

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ