ঢাকা, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, নকআউটের স্বপ্ন ভাঙল শেষ মুহূর্তে

২০২৬ জুন ২৮ ১৬:২০:০১

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, নকআউটের স্বপ্ন ভাঙল শেষ মুহূর্তে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল দক্ষিণ কোরিয়া। নতুন ৪৮ দলের বিশ্বকাপ ফরম্যাটে গ্রুপের সেরা তৃতীয় হওয়া আটটি দল শেষ ৩২-এ ওঠার সুযোগ পেলেও সেই তালিকায় জায়গা হয়নি কোরিয়ানদের। অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর নির্ভর করলেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্য তাদের পক্ষে কথা বলেনি।

গ্রুপ ‘এ’-তে দক্ষিণ কোরিয়া তিন ম্যাচে একটি জয় এবং দুটি হার নিয়ে ৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তৃতীয় স্থানে থেকে অভিযান শেষ করে। টুর্নামেন্টের শুরুতে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছিল তারা। সেই জয় কোরিয়ান সমর্থকদের মধ্যে নকআউট নিয়ে আশাবাদ তৈরি করলেও পরবর্তী দুটি ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয় দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে এবং শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও একই ব্যবধানে পরাজিত হয়ে কঠিন সমীকরণের সামনে পড়ে দক্ষিণ কোরিয়া।

গ্রুপ পর্ব শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার ভাগ্য নির্ভর করছিল অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের ওপর। একপর্যায়ে সেরা তৃতীয় হওয়া দলগুলোর তালিকায় অষ্টম স্থানে থাকলেও পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। প্রথমে ক্রোয়েশিয়া ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। এরপর ডিআর কঙ্গো উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে ৪ পয়েন্ট অর্জন করলে দক্ষিণ কোরিয়া সেরা আট তৃতীয় দলের তালিকা থেকে ছিটকে পড়ে। ফলে নকআউটে ওঠার সম্ভাবনারও ইতি ঘটে।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ডিআর কঙ্গো। একই দিনে নাটকীয় এক ম্যাচে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া ৩-৩ গোলে ড্র করার পর গোল ব্যবধানের হিসাবে আলজেরিয়াও সেরা তৃতীয় দল হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে। এসব ফলাফলই শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার বিদায়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এটি ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপে ১২তম অংশগ্রহণ। এর আগে তারা তিনবার নকআউট পর্বে খেলেছিল। ২০০২ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে পৌঁছায় দলটি। এছাড়া ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে খেলেছিল কোরিয়ানরা। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে এশিয়ার অন্যতম সফল এই ফুটবল শক্তিকে।

বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার এই বিদায় এশিয়ান ফুটবলের জন্যও একটি বড় ধাক্কা। কারণ দলটি দীর্ঘদিন ধরেই মহাদেশটির অন্যতম ধারাবাহিক পারফর্মার হিসেবে পরিচিত। এখন আগামী আসরের জন্য নতুন পরিকল্পনা ও শক্তিশালী দল গঠনের দিকেই নজর দিতে হবে কোরিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষকে।বিশ্বকাপ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিদায়, নকআউটের স্বপ্ন ভাঙল শেষ মুহূর্তে২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল দক্ষিণ কোরিয়া। নতুন ৪৮ দলের বিশ্বকাপ ফরম্যাটে গ্রুপের সেরা তৃতীয় হওয়া আটটি দল শেষ ৩২-এ ওঠার সুযোগ পেলেও সেই তালিকায় জায়গা হয়নি কোরিয়ানদের। অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর নির্ভর করলেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্য তাদের পক্ষে কথা বলেনি।

গ্রুপ ‘এ’-তে দক্ষিণ কোরিয়া তিন ম্যাচে একটি জয় এবং দুটি হার নিয়ে ৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তৃতীয় স্থানে থেকে অভিযান শেষ করে। টুর্নামেন্টের শুরুতে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছিল তারা। সেই জয় কোরিয়ান সমর্থকদের মধ্যে নকআউট নিয়ে আশাবাদ তৈরি করলেও পরবর্তী দুটি ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয় দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে এবং শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও একই ব্যবধানে পরাজিত হয়ে কঠিন সমীকরণের সামনে পড়ে দক্ষিণ কোরিয়া।

গ্রুপ পর্ব শেষে দক্ষিণ কোরিয়ার ভাগ্য নির্ভর করছিল অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের ওপর। একপর্যায়ে সেরা তৃতীয় হওয়া দলগুলোর তালিকায় অষ্টম স্থানে থাকলেও পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। প্রথমে ক্রোয়েশিয়া ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে। এরপর ডিআর কঙ্গো উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে ৪ পয়েন্ট অর্জন করলে দক্ষিণ কোরিয়া সেরা আট তৃতীয় দলের তালিকা থেকে ছিটকে পড়ে। ফলে নকআউটে ওঠার সম্ভাবনারও ইতি ঘটে।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ডিআর কঙ্গো। একই দিনে নাটকীয় এক ম্যাচে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া ৩-৩ গোলে ড্র করার পর গোল ব্যবধানের হিসাবে আলজেরিয়াও সেরা তৃতীয় দল হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে। এসব ফলাফলই শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার বিদায়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এটি ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপে ১২তম অংশগ্রহণ। এর আগে তারা তিনবার নকআউট পর্বে খেলেছিল। ২০০২ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে পৌঁছায় দলটি। এছাড়া ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে খেলেছিল কোরিয়ানরা। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে এশিয়ার অন্যতম সফল এই ফুটবল শক্তিকে।

বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার এই বিদায় এশিয়ান ফুটবলের জন্যও একটি বড় ধাক্কা। কারণ দলটি দীর্ঘদিন ধরেই মহাদেশটির অন্যতম ধারাবাহিক পারফর্মার হিসেবে পরিচিত। এখন আগামী আসরের জন্য নতুন পরিকল্পনা ও শক্তিশালী দল গঠনের দিকেই নজর দিতে হবে কোরিয়ান ফুটবল কর্তৃপক্ষকে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ফুটবল এর অন্যান্য সংবাদ