| ঢাকা, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০, ২০ আষাঢ় ১৪২৭

সিঙ্গাপুরগামীদের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় দু:সংবাদ

২০২০ জুন ২৯ ২১:৩৩:৫৯
সিঙ্গাপুরগামীদের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় দু:সংবাদ

করোনা ভাইরাসের কারনে ভেঙ্গে গেছে সকলের স্বপ্ন। এবং যে সকল ব্যাক্তিরা সিঙ্গাপুর যেতে চেয়েছিলেন তাদের জন্য এটা অবশ্যই অনেক বড় এক দুঃসংবাদই বটে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা নতুন কাজের জন্য অন্যদেশে পাড়ি দেয়ার চিন্তা করলেও তা থমকে গেছে

সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও অভিবাসী শ্রমিকদের বেতন দিলেও, করোনার পর চাকরি হারিয়ে দেশে ফেরার শঙ্কায় বেশিরভাগ বাংলাদেশি শ্রমিক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের নেয়া সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য উঠে

এসেছে। কাজের তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরে আছেন প্রবাসী বাংলাদেশি শরিফ উদ্দিন। দেশটির শ্রমবাজার আস্তে আস্তে সঙ্কুচিত হওয়ায় নতুন কাজের সন্ধানে অন্য দেশে পাড়ি দেয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। তবে করোনার কারণে সে স্বপ্নে ভাটা পড়েছে শরিফের মতো অনেক প্রবাসীর। দেশটিতে বসবাসরত অধিকাংশ বাংলাদেশি শ্রমিক নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত। কোভিড নাইন্টিনের কারণে এখন বেশিরভাগ প্রকল্প থমকে যাওয়ায় পেশাও বদলেছেন অনেকে।

সামনের দিনগুলোতে কাজের পরিধি কমে আসবে বলে ধারণা করছেন দেশটির কর্মকর্তারাও। খরচ কমাতে শ্রমিক ছাটাইয়ের পথে হাঁটতে পারে অনেক প্রতিষ্ঠান। ভাইরাস টাস্কফোর্স সহকারী প্রধান লরেন্স ওং বলেন, এখানে বাংলাদেশিসহ অনেক অভিবাসী শ্রমিক আছেন। কিন্তু এখন বেশির ভাগই বসে আছেন। ডরমেটরিতে অনেকটা গাদাগাদি করে বন্দি অবস্থায় জীবন-যাপন করছেন। এখানকার নির্মাণ খাত অনেটা সঙ্কুচিত হয়ে আসায় অনেককে দেশে ফিরতে ‘হতে পারে।

শ্রমিক নেতা দেবোরাহ ফরডেইস বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানেই পুরাতন শ্রমিক আছেন। কিন্তু ওই সব প্রতিষ্ঠানের মালিক পুরাতনদের ধরে রাখার চেয়ে নতুন শ্রমিক নিয়োগ দিতে পছন্দ করেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে পুরাতন শ্রমিকদের বেতন বেশি হওয়ায় তাদের ছাটাই করে থাকে। সিঙ্গাপুরে অনেক অভিবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক জাহাজ শিল্পের সঙ্গেও জড়িত।

তবে করোনা সংক্রমণের কারণে আগের মতো কাজ হচ্ছে না এই খাতটিতেও। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গেল বছর ৪৯ হাজার ৮২৯ বাংলাদেশি বহির্গমণ ছাড়পত্র নিয়ে সিঙ্গাপুর গিয়েছেন। বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমান।বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমান।

পাঠকের মতামত:

বিশ্ব এর সর্বশেষ খবর

বিশ্ব - এর সব খবর



রে